ডায়াবেটিস (Diabetes)

শেয়ার করুন

বর্ণনা

ডায়াবেটিস দেহের মেটাবলিজম (দেহের আভ্যন্তরীণ রাসায়নিক প্রক্রিয়া) সংক্রান্ত একটি ক্রনিক রোগ। এর কারণে দেহে পর্যাপ্ত পরিমণ ইনসুলিন তৈরী হতে পারে না। কোষের রাসায়নিক কার্যাবলীতে ইনসুলিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ইনসুলিনের সাহায্যে কোষে সুগার বা শর্করা পরিবাহিত হয় এবং এর উপস্থিতিতে কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট ও প্রোটিন বিশ্লেষিত হয়। ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর দেহে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। এর ফলে প্রায় প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

নিচে বিভিন্ন প্রকারের ডায়বেটিস সম্পর্কে আলোচনা করা হল।

  • টাইপ- ১ ডায়াবেটিসঃ টাইপ- ১ ডায়বেটিস অল্পবয়স্ক রোগীদের বেশি হয় এবং এক্ষেত্রে ইনসুলিন নিতে হয়।
  • টাইপ- ২ ডায়াবেটিসঃ টাইপ- ২ ডায়বেটিস বয়স্ক রোগীদের বেশি হয় এবং সাধারণত স্থূলতার কারণে  দেখা দেয়।
  • জ্যাস্টেশনাল ডায়াবেটিসঃ এই ডায়াবেটিস প্রেগনেন্সি বা গর্ভাবস্থায় হয়ে থাকে।
  • সার্জিকালি ইনডিউসড ডায়াবেটিসঃ অগ্ন্যাশয়ে অপারেশনের পর ইনসুলিন উৎপাদনের পরিমাণ হ্রাস পেতে পারে এবং ব্যক্তি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারে।
  • কেমিক্যালি ইনডিউসড ডায়াবেটিসঃ নির্দিষ্ট কিছু ঔষধ ব্যবহারের ফলে রক্তে সুগারের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে স্টেরয়েডস, কর্টিসন ও প্রেডনিসন ব্যবহারের ফলে রক্তে সুগারের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
  • এল-এ-ডি-এ (ল্যাটেন্ট অটোইমিউন ডায়াবেটিস ইন এ্যাডাল্ট) বা টাইপ ১.৫ ডায়াবেটিসঃ টাইপ ১ ডায়াবেটিস ধীরে ধীরে পরিবর্তন হয়ে এল-এ-ডি-এতে রূপান্তরিত হয়। এই ধরণের ডায়াবেটিস সাধারণত ৩৫ বছর বয়সের ঊর্ধ্বের ব্যক্তিদের বেশি হয়ে থাকে।

কারণ

অগ্ন্যাশয়ে কোনো ত্রুটি দেখা দিলে টাইপ ১ ও টাইপ ২ ডায়াবেটিস হয়ে থাকে। পাকস্থলির পেছনে ও নিচের দিকে অগ্ন্যাশয় অবস্থিত। অগ্ন্যাশয়ে অবস্থিত কোষগুলোকে বলা হয় আইলেট কোষ (Islet cells)।  খাদ্যগ্রহণ করলে এই কোষগুলো সাধারণত ইনসুলিন উৎপাদন করে। এই ইনসুলিনের সাহায্যে গ্লুকোজ খাদ্য থেকে শক্তি উৎপাদন করে থাকে। টাইপ- ১ ডায়াবেটিস হলে অগ্ন্যাশয়ে আইলেট কোষের পরিমাণ কমে যায় এবং একই সাথে ইনসুলিন উৎপাদনের পরিমাণ একেবারেই হ্রাস পায়। ফলে দেহে সঠিকভাবে গ্লুকোজ ব্যবহৃত হয় না।

এই দুই ধরণের ডায়াবেটিস ভিন্ন ভিন্ন কারণে হয়ে থাকে। ঠিক কি কারণে টাইপ- ১ ডায়াবেটিস হয়ে থাকে তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ধারনা করা হয় টাইপ- ১ ডায়াবেটিস জিনগত বা বংশগত কারনে হয়ে থাকে,তাছাড়া দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও ভাইরাল ইনফেকশনের জন্যও এই সমস্যা দেখা দেয়।

টাইপ- ২ ডায়াবেটিস ব্যক্তির দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ও অভ্যাসের উপর নির্ভর করে। একই পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের এই ডায়াবেটিস হয়ে থাকে। তবে টাইপ- ২ ডায়াবেটিস স্থূলতা, আদর্শ খাবারের অভাব ও কর্মবিমুখতার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। শারীরিক পরিশ্রমের অভাব ও অভ্যাসগত কারণে মানুষের রক্তে ফ্রি ফ্যাটি এসিড ও সাইটোকাইনস নামক উপাদান বৃদ্ধি পায়, যার ফলে ইনসুলিন উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।

গর্ভাবস্থায় একজন মহিলার শরীরে বিভিন্ন পরিবর্তন আসে যার ফলে দেহে ইনসুলিন উৎপাদনের প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়, এ অবস্থায় জ্যাস্টেশনাল ডায়াবেটিস  দেখা দেয়। গর্ভাবস্থায় ইনসুলিনের মাত্রা স্বভাবতই কমে যায়।

লক্ষণ

চিকিৎসকেরা এই রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তিদের মধ্যে সাধারণত নিম্নলিখিত লক্ষণগুলো দেখতে পানঃ

চিকিৎসা

চিকিৎসকেরা এই রোগাক্রান্ত ব্যক্তিদের নিম্নের ঔষধগুলো দিয়ে থাকেনঃ

glibenclamide gliclazide
glimepiride insulin
metformin hydrochloride pioglitazone hydrochloride
rosiglitazone sitagliptin
linagliptin

চিকিৎসকেরা এই রোগাক্রান্ত ব্যক্তিদের নিম্নের টেস্টগুলো দিয়ে থাকেনঃ

ব্লাড গ্লুকোজ, আফটার মিল (Blood Glucose, After meal)
ব্লাড গ্লুকোজ, ফাস্টিং (Blood Glucose, Fasting)
ব্লাড গ্লুকোজ, র‍্যান্ডম (Blood Glucose, Random)
এইচ-বি-এ-ওয়ান-সি (HbA1c)
লিপিড প্রোফাইল (Lipid profile)
ও-জি-টি-টি (OGTT)
এস-জি-ও-টি / এ-এস-টি (SGOT/AST)
এস-জি-পি-টি/ এ-এল-টি (SGPT/ALT)
ইউরিন এনালাইসিস (Urinalysis)
ক্রিয়েটিনিন, সেরাম (Creatinine, Serum)
কিডনী ফাংশন টেস্ট (Kidney function test)

ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়

প্রত্যেক প্রকারের ডায়াবেটিসের বৈশিষ্ট্য অনুসারে এর ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়গুলো ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। নিম্নে বিভিন্ন প্রকারের ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়গুলো আলোচনা করা হলো:

টাইপ- ১ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়-

  • পারিবারিক সূত্র: কোনো ব্যক্তির মা-বাবা, ভাইবোনের টাইপ -১ ডায়াবেটিস থাকলে তার এ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
  • পরিবেশগত উপাদান: কোনো ব্যক্তির ভাইরাসজনিত অসুস্থতা আক্রান্ত হলে এই ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
  • দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বলকারী কোষের উপস্থিতি (অটোএন্টিবডি): দেহে অটোএন্টিবডির উপস্থিতি টাইপ- ১ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।
  • খাদ্যাভ্যাস: দৈনন্দিন খাবারের তালিকায় ভিটামিন ডি এর পরিমাণ কম থাকলে এবং শিশুকে চার মাস বয়সের পূর্বেই সিরিয়াল খাওয়ানো শুরু করলে অথবা শিশুকে খুব তাড়াতাড়ি গরুর দুধ দেওয়া শুরু করলে টাইপ- ১ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। তবে এগুলোর কোনোটিই টাইপ- ১ ডায়াবেটিস হওয়ার ক্ষেত্রে সরাসরি ভূমিকা রাখে না।

টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়-

  • স্থূলতা: শরীরে মেদের পরিমাণ বেড়ে গেলে ইনসুলিন উৎপাদনের পরিমাণ কমে যায়। ফলে টাইপ- ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
  • কর্মবিমুখতা: শারীরিক পরিশ্রমের সাহায্যে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। কর্মবিমুখতা ও কম পরিশ্রম করার ফলে শরীরে চর্বি জমতে শুরু করে এবং টাইপ- ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
  • পারিবারিক সূত্রে: মা-বাবা, ভাই-বোনের টাইপ- ২ ডায়াবেটিস থাকলে এই ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
  • জাতিঃ নির্দিষ্ট কিছু জাতি যেমন: কৃষ্ণাঙ্গ, হিস্প্যানিক, আমেরিকান-ইন্ডিয়ান ও এশিয়ান-আমেরিকানদের ক্ষেত্রে এ রোগের ঝুঁকি বেশি। যদিও এর আসল কারণ এখনো অজানা।
  • বয়স: বয়স বাড়ার সাথে সাথে টাইপ- ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। কারণ বয়স বাড়ার সাথে সাথে ওজন বাড়তে থাকে ও পরিশ্রমের পরিমাণ কমতে থাকে, একই সাথে পেশীর দৃড়তাও হ্রাস পেতে থাকে। তবে এই ডায়াবেটিস শিশু ও কমবয়সীদেরও হতে পারে।
  • জ্যাস্টেশনাল ডায়াবেটিস: গর্ভাবস্থায় কোনো মহিলার জ্যাস্টেশনাল ডায়াবেটিস হলে টাইপ- ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। আবার জন্মের সময় নবজাতকের ওজন ৯ পাউন্ড বা ৪ কিলোগ্রামের বেশি হলে পরবর্তীতে মায়ের টাইপ- ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
  • পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম: যেসব মহিলার পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম রয়েছে তাদের এই ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বেশি। পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম হলে মহিলাদের মাসিক অনিয়মিত হয়ে যায় এবং স্থূলতা, মাত্রারিক্ত চুল ও লোমের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
  • উচ্চ রক্তচাপ: রক্তচাপ যদি ১৪০/৯০ মিলিমিটার (mm Hg) এর বেশি হয় তবে এই ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
  • কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা: ট্রাইগ্লিসারাইড হলো রক্তে উপস্থিত একপ্রকারের চর্বি। রক্তে এ চর্বির পরিমাণ বেড়ে গেলেটাইপ- ২ ডায়াবেটিস হতে পারে, আবার কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পেলেও টাইপ- ২ ডায়াবেটিস হতে পারে।

জ্যাস্টেশনাল ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়ঃ

যেকোনো গর্ভবতী মহিলার এই ডায়াবেটিস হতে পারে। জ্যাস্টেশনাল ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়গুলো হলোঃ

  • বয়স: যেসব মহিলার বয়স ২৫ বছরের ঊর্ধ্বে তাদের এঈ ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভবনা বেশি।
  • পারিবারিক বা ব্যক্তিগত কারণ: টাইপ ২ ডায়াবেটিস থাকলে বা পরিবারের অন্য কারো যেমন মা-বাবা, ভাইবোনের টাইপ ২ ডায়াবেটিস থাকলে জ্যাস্টেশনাল ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। পূর্বে গর্ভাবস্থায় কখনও জ্যাস্টেশানাল ডায়াবেটিস হলে, সন্তান জন্মদানের সময় নবজাতকের ওজন খুব বেশি হলে বা কোনো নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই মৃত শিশুর জন্ম দিলে একজন মহিলার এ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
  • ওজনঃ অতিরিক্ত ওজনের জন্য এই ধরনের ডায়াবেটিস হতে পারে।
  • জাতিঃ নির্দিষ্ট কিছু জাতি যেমন কৃষ্ণাঙ্গ, হিস্প্যানিক, আমেরিকান-ইন্ডিয়ান ও এশিয়ানদের ক্ষেত্রে এ রোগের ঝুঁকি বেশি। যদিও এর আসল কারণ এখনও অজানা।

যারা ঝুঁকির মধ্যে আছে

লিঙ্গঃ মহিলা ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে।

জাতিঃ কৃষ্ণাঙ্গ, হিস্প্যানিক ও অন্যান্য জাতির মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে। অপর দিকে শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা  ১ গুণ কম।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

উত্তরঃ ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীকে অবশ্যই নিজের খাদ্যাভ্যাসের প্রতি বিশেষ যত্ন নিতে হবে। প্রতিদিন খাবারের তালিকায় ফলমূল, শাকসবজি, চর্বিহীন মাংস, মাছ, শস্যদানা থেকে প্রাপ্ত কার্বোহাইড্রেট, চর্বিহীন দুগ্ধজাতীয় খাবার থাকতে হবে। এছাড়া প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। একই সাথে চিনিযুক্ত পানীয়, সোডা, ও মিষ্টিজাতীয় খাবার ও ফাস্টফুড এড়িয়ে চলতে হবে।
নিয়মিত অনুশীলন ও ব্যায়াম করার মাধ্যমে খুব সহজে ওজন ও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। তাই ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীর প্রতিদিন নিয়মিত ব্যায়াম করা উচিত। নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ও দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করে। এর ফলে রোগীর ঘুমের ক্ষেত্রেও সুবিধা হয়।

উত্তরঃ রক্তে সুগারের পরিমাণ অতিমাত্রায় কমে যাওয়া একটি মেডিকেল ইমার্জেন্সি। এ অবস্থায় রোগীর মৃত্যুও হতে পারে। রক্তে সুগারের পরিমাণ কমে গেলে সর্বপ্রথম রোগীকে চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার দিতে হবে। কোনো অবস্থাতে রোগীকে ডায়েট ড্রিংক দেওয়া যাবে না, কেননা এসব ড্রিংকে কোনো রকম চিনি ব্যবহার করা হয় না।

হেলথ টিপস্‌

ডায়াবেটিসের কারণে হৃদরোগ ও কিডনির বিভিন্ন সমস্যার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। একই সাথে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার পর দেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ যেমন চোখ, ত্বক ও পায়ের বিভিন্ন ক্ষতি হতে পারে এবং রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।

খাদ্যগ্রহণের নিয়মনীতি ও সময় মেনে চললে এবং নিয়মিত শারীরিক অনুশীলন করলে খুব সহজে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা, এমনকি মৃত্যুর কারণও হতে পারে।

যদিও বংশগত কারনে ডায়াবেটিস বেশি হয়ে থাকে, তবে নিম্নের নিয়মগুলো মেনে চললে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

  • ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
  • শারীরিক পরিশ্রম করতে হবে।
  • ধূমপান পরিহার করতে হবে।
  • খাদ্যগ্রহণের নিয়মনীতি ও সময় মেনে চলতে হবে।
  • রক্তচাপ, কোলেস্টেরল ও গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
 

বিশেষজ্ঞ ডাক্তার

ডাঃ মোঃ মহিউদ্দিন

মেডিসিন ( Medicine), ডায়াবেটোলজিষ্ট ( Diabetologist)

এমবিবিএস, এমআরসিপি(ইউকে), এফএমডি(ইউএসটিসি), সিসিডি(বারডেম)

ডাঃ সালাহ্‌ উদ্দিন আহমেদ

পালমোনোলজি ( ফুসফুস) ( Pulmonology), প্রিভেন্টিভ এন্ড সোশ্যাল মেডিসিন ( Preventive & Social Medicine), ডায়াবেটোলজিষ্ট ( Diabetologist)

এমবিবিএস(ঢাকা), সিসিডি(ডায়াবেটোলজি)বারডেম, এমপিএইচ(ঢাকা),সি-কার্ড(হার্ট-ফাউডেশন), ডিপ্লোমা-ইন এ্যাজমা(ইউকে), সি-ডার্মা(চর্ম ও যৌন) ও এলার্জী, এফআরএসএইচ(লন্ডন)

ডাঃ মোঃ রাসেল মাহবুব

ডায়াবেটোলজিষ্ট ( Diabetologist)

এমবিবিএস , সিসিডি(বারডেম) , পিজিটি(মেডিসিন ও কার্ডিওলজী)

ডাঃ মোঃ তৌহিদুল আলম

ডায়াবেটোলজিষ্ট ( Diabetologist), জেনারেল ফিজিসিয়ান (General Physician)

এমবিবিএস(ঢাকা), সিসিডি(বারডেম)

ডাঃ এম এ রশিদ

ডায়াবেটোলজিষ্ট ( Diabetologist), ফ্যামিলি মেডিসিন ( Family Medicine)

এমবিবিএস, এফসিজিপি, এমপিএইচ, সিসিডি

ডাঃ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম(সোহান)

মেডিসিন ( Medicine), এন্ডোক্রাইনোলজি এন্ড মেটাবলিজম ( হরমোন) ( Endocrinology & Metabolism)

এমবিবিএস, ডিইএম, এমএসিই(ইউএসএ), এমডি(এন্ডক্রাইনোলজি পার্ট-২)

ডাঃ মোঃ রফিকুল হায়দার

ডায়াবেটোলজিষ্ট ( Diabetologist)

এমবিবিএস, পিজিটি(মেডিসিন ও সার্জারী), সিসিইউ(এসইউবি), সিসিডি

ডাঃ মোঃ মাহাদি হাসান

ডায়াবেটোলজিষ্ট ( Diabetologist)

এমবিবিএস, পিজিটি, সিসিডি(বারডেম)