রেবিস / জ্বলাতঙ্ক (Rabies)

শেয়ার করুন

বর্ণনা

Rabies বা জলাতঙ্ক একটি মারাত্মক ও প্রাণঘাতী রোগ। এই রোগের ভাইরাস বহনকারী প্রাণীর কামড়ের মাধ্যমে Rabies ভাইরাস মানুষের মাঝে ছড়ায়। এই ভাইরাস সাধারণত বাদুড়, শেয়াল ও নেড়ি কুকুরের মাধ্যমে ছড়ায়। এ রোগের লক্ষণ দেখা দেওয়ার সাথে সাথে এটি মারাত্মক রূপ ধারণ করতে থাকে। তাই সাথে সাথেই এ রোগের প্রতিশেধক দেওয়া হয়।

কারণ

রেবিস ভাইরাসের (Rabies Virus) কারণে জলাতঙ্ক হয়ে থাকে। আক্রান্ত প্রাণীর লালা থেকে এটি ছড়ায়। আক্রান্ত প্রাণী অন্য কোন প্রাণী বা মানুষকে কামড়ালে তার জলাতঙ্ক হয়। অনেক সময় আক্রান্ত প্রাণীর লালা অন্য কোন ব্যক্তির  ক্ষত, মুখ, ত্বক বা চোখের সংস্পর্শে আসলে এই ভাইরাস তার দেহে প্রবেশ করতে পারে।

বিশেষ করে স্তন্যপায়ী প্রাণীর মাধ্যমে এ ভাইরাস ছড়িয়ে থাকে। যেসব প্রাণীর মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়িয়ে থাকে সেগুলি হল:

পোষা বা গৃহপালিত প্রাণী- বিড়াল, কুকুর, ছাগল, গরু, ঘোড়া।

বন্য প্রাণী- বাদুড়, র‍্যাকুন, বানর।

লক্ষণ

এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে চিকিৎসকেরা নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি চিহ্নিত করে থাকেন:

চিকিৎসা

 চিকিৎসকেরা এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিম্নলিখিত ঔষধগুলি গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন:  

rabies vaccine Human rabies immunoglobulin

চিকিৎসকেরা এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিম্নলিখিত টেস্টগুলি করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন:  

উন্ড ম্যানেজমেন্ট (Wound care management)
পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন (Polymerase chain reaction, PCR)

ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়

যেসব কারণে জলাতঙ্কের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায় সেগুলি হল:

  • যেসব জায়গায় জলাতঙ্কের প্রকোপ বেশি সেসব জায়গায় বসবাস বা ভ্রমণ করা, যেমন-  আফ্রিকা ও দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশ।
  • জলাতঙ্কে আক্রান্ত এমন বন্য প্রাণীর সংস্পর্শ।
  • ল্যাবরেটরিতে জলাতঙ্কের ভাইরাস নিয়ে কাজ করা।
  • মাথা, হাত বা গলায় কোনো আঘাত পাওয়া। এই ধরনের আঘাত বা ক্ষতের মাধ্যমে জলাতঙ্কের ভাইরাস খুব সহজে মস্তিষ্কে প্রবেশ করতে পারে।

যারা ঝুঁকির মধ্যে আছে

লিঙ্গঃ পুরুষদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে। মহিলাদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা একগুণ কম।

জাতিঃ কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা দ্বিগুণ বেশি। হিস্পানিকদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা তিনগুণ বেশি। অন্যান্য জাতির মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা নয়গুণ বেশি। শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে এই রোগ নির্ণয়ের সম্ভাবনা একগুণ কম।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

উত্তরঃ সাধারণত তিন সপ্তাহ থেকে তিন মাসের মধ্যে জলাতঙ্কের লক্ষণগুলো দেখা দেয়। ভাইরাসের আক্রমণ মারাত্মক হলে চার দিনের মধ্যেই মাথা বা চোখে এর লক্ষণ দেখা দেয়। আবার কখনও কখনও দেখা গেছে এক, পাঁচ বা দশ বছরের মধ্যে এর লক্ষণ দেখা দেয়।

উত্তরঃ প্রাণীদের ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের টিস্যু পরীক্ষার মাধ্যমে জলাতঙ্ক নির্ণয় করা হয়। আর মানুষের ক্ষেত্রে জলাতঙ্ক হয়েছে কি না তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য অন্যান্য পরীক্ষা করা হয়। তবে কোনো লক্ষণ দেখা দেওয়ার পূর্বে বা আক্রান্ত ব্যক্তি অসুস্থবোধ করার আগে এই রোগ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য কোনো টেস্টের ব্যবস্থা নেই।

হেলথ টিপস্‌

নিম্নলিখিত পন্থা অবলম্বন করে জলাতঙ্কের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। যেমনঃ

  • পোষা প্রাণীকে অবশ্যই জলাতঙ্কের প্রতিষেধক দিতে হবে।
  • পোষা প্রাণীকে অন্যান্য ভাইরাসবাহী ও বন্য প্রাণী থেকে দূরে রাখতে হবে।
  • নিজ এলাকায় ভাইরাসবাহী প্রাণী উন্মুক্ত অবস্থায় থাকলে সে সম্পর্কে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।
  • দীর্ঘসময়ের জন্য ভ্রমণে বের হলে জলাতঙ্কের প্রতিষেধক নিতে হবে।

বিশেষজ্ঞ ডাক্তার

অধ্যাপক ব্রিঃ জেনাঃ ডাঃ আবদুল্লাহ আল ফারুক

মেডিসিন ( Medicine), পালমোনোলজি ( ফুসফুস) ( Pulmonology)

এমবিবিএস , এফসিপিএস(মেডিসিন), এফআরসিপি(গ্লাসগো), ফেলো পালমনোলজি(চীন)

অধ্যাপক ডাঃ সৈয়দ ওয়াহিদুর রহমান

মেডিসিন ( Medicine)

এমবিবিএস(ঢাকা), এফসিপিএস(মেডিসিন)

মেজর ডাঃ সৈয়দ জামিল আব্দাল (অবঃ)

রিউম্যাটোলজি ( বাতরোগ) ( Rheumatology), মেডিসিন ( Medicine)

এমবিবিএস, এফসিপিএস(মেডিসিন)

লেঃ কর্নেল ডাঃ মোঃ আমজাদ হোসেন(অবঃ)

মেডিসিন ( Medicine), ডায়াবেটোলজিষ্ট ( Diabetologist)

এমবিবিএস, এফসিজিপি(বিডি), সিসিডি(বারডেম), এমআর এসএইস(লন্ডন)

ডাঃ মোঃ শফিকুর রহমান পাটওয়ারী

মেডিসিন ( Medicine), কার্ডিওলজি ( হার্ট) ( Cardiology)

এমবিবিএস, এমডি(কার্ডিওলজী), এফসিপিএস(মেডিসিন), এমসিপিএস(মেডিসিন), এফইএসসি (ইউরোপ), এফএসসিসি(আমেরিকা), ডিএসসি(আমেরিকা)

ডাঃ মোঃ খায়রুল হাসান

মেডিসিন ( Medicine)

এমবিবিএস, এফসিপিএস,মেডিসিন পার্ট-২, এমডি(বক্ষব্যাধি ইন কোর্স)

অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আব্দুল কাদের আকন্দ

মেডিসিন ( Medicine), কার্ডিওলজি ( হার্ট) ( Cardiology)

এমবিবিএস, এফসিপিএস(মেডিসিন), এমডি(কার্ডিওলজী), এফএসিসি(আমেরিকা)

ডাঃ মোঃ রোবেদ আমিন

মেডিসিন ( Medicine)

এমবিবিএস(ডিএমসি), এফসিপিএস(মেডিসিন)