চোখের পাতা বন্ধ করতে না পারা (Eyelid retracted)

শেয়ার করুন

বর্ণনা

চোখের উপরের পাতা উপরের দিকে উঠে গেলে বা নিচের পাতা নিচের দিকে ঝুলে নেমে গেলে অক্ষিগোলক বাহিরের দিকে উন্মুক্ত থাকে। বংশগত কারণে অক্ষিগোলকের আকার ছোট হলে এবং অক্ষিগোলক বা চোখের পাতায় সমস্যা থাকলে চোখের নিচের পাতা বন্ধ হয় না। চোখের পাতা বন্ধ করতে না পারলে ল্যাগোফথ্যালমস (Lagophthalmos) এবং এক্সপোজার কেরাটাইটিস (Exposure Keratitis) (কর্ণিয়ার ইনফেকশন হওয়া) হয়ে থাকে। এই সমস্যার কারণে চোখে জ্বালা হয় ও দেখতে অসুবিধা হয়।

কারণ

লোকাল, সিস্টেমিক বা সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমের সমস্যার কারণে চোখের পাতা বন্ধ করতে অসুবিধা হয়। যে কারণে এই সমস্যা বেশি হয়ে থাকে তা হলো:

  • থায়রয়েড আই ডিজিজ বা টি-ই-ডি (Thyroid Eye Disease (TED))
  • রিসেশন অফ দি ভার্টিকাল রেক্টাস মাসলস (Recession of the vertical rectus muscles)
  • ওভারলি এগ্রেসিভ স্কিন এক্সসিশন ইন ব্লেফারোপ্লাস্টি (Overly aggressive skin excision in blepharoplasty)
  • ওভার কম্পেন্সেশন ফর কন্ট্রাল্যাটেরাল টোসিস (Overcompensation for a contralateral ptosis)

সংশ্লিষ্ট লক্ষণসমূহ

এই লক্ষণের সাথে অন্যান্য যেসকল লক্ষণ দেখা যেতে পারে সেগুলো হলো:

যারা ঝুঁকির মধ্যে আছে

লিঙ্গ: পুরুষদের মধ্যে এই লক্ষণ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা ১ গুণ কম। মহিলাদের মধ্যে এই লক্ষণ দেখা দেওয়ার গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে।

জাতি: শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে এই লক্ষণ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা ১ গুণ কম। কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে এই লক্ষণ দেখা দেওয়ার গড়পড়তা সম্ভাবনা রয়েছে। হিস্প্যানিকদের মধ্যে এই লক্ষণ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা ১২ গুণ কম। অন্যান্য জাতির মধ্যে এই লক্ষণ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা ৪ গুণ কম।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

উত্তর: ব্লেফারিটিসের কারণে চোখের পাতা লাল হয়ে যায়, চুলকায় এবং শুষ্ক হয়ে যায়। চোখের পাপড়ির গোড়া ও চোখের পাতায় ইনফ্লামেশন বা জ্বালাপোড়া হলে তাকে ব্লেফারিটিস বলে। অ্যালার্জি, ব্যাকটেরিয়া, ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা যেমন সোরিয়াসিস (Psoriasis), রোজেশিয়া (Rosacea) এবং অ্যাকজিমা (Eczema) ইত্যাদির কারণে এটি হতে পারে। এই সমস্যার সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা হলো বেবি শ্যাম্পু দিয়ে চোখ পরিষ্কার করা।

উত্তর: এই সমস্যা প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। যদি এর কারণে দৃষ্টিশক্তি ব্যাহত হয়, তবে অপারেশন করাতে হবে।